ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬ , ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইয়াবা নিয়ে বিরোধের জেরে টেকনাফে নির্যাতনে নিহত ২

অনলাইন ডেস্ক
১ ঘন্টা আগে
ইয়াবা নিয়ে বিরোধের জেরে টেকনাফে নির্যাতনে নিহত ২
কক্সবাজারের টেকনাফে ইয়াবার চালান আত্মসাতকে কেন্দ্র করে চারজনকে অপহরণের পর নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় দুইজন নিহত হয়েছেন। অন্য দুইজনকে জীবিত উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বুধবার (৪ নভেম্বর) সকাল ৯টার দিকে হ্নীলা ইউনিয়নের পশ্চিম পানখালী এলাকার ভিলিজার পাড়া থেকে তিনজনকে উদ্ধার করা হয়। পরে দুপুরে বড় লেচুপ্রাণ এলাকা থেকে আরও একজনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন, হোয়াইক্যং ইউনিয়নের তুলাতলী এলাকার মৃত আমির হোছনের ছেলে আলী আহমদ (৪০), দৈংগাকাটা এলাকার মৃত আব্দু সালামের ছেলে মোক্তার আহমদ (৪৮), কালু ফকিরের ছেলে মোহাম্মদ আকবর (৩০) এবং তুলাতলী এলাকার আবুল হোছনের ছেলে মো. ইলিয়াস (৩৫)। তাদের মধ্যে মোক্তার আহমদ ও মোহাম্মদ আকবর নিহত হয়েছেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ইয়াবা-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে গতকাল মঙ্গলবার হোয়াইক্যং এলাকা থেকে একটি চক্র চারজনকে অপহরণ করে। পরে তাদের হ্নীলা এলাকার দুর্গম পাহাড়ে নিয়ে মারধর করা হয়। একপর্যায়ে বুধবার সকালে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে তাদের পশ্চিম পানখালী এলাকার ভিলিজার পাড়ায় ফেলে রেখে যায় অপহরণকারীরা।

জীবিত উদ্ধার হওয়া দুজনের বরাত দিয়ে জানা গেছে, ১০ হাজার ইয়াবার একটি চালান আটজন মিলে হোয়াইক্যং চেকপোস্ট পার করে দেওয়ার সময় সেখান থেকে তিন হাজার ইয়াবা আত্মসাৎ হয়। এ ঘটনার জের ধরে ইয়াবার প্রকৃত মালিকেরা চারজনকে অপহরণ করে পাহাড়ে নিয়ে যান। সেখানে মারধরের একপর্যায়ে একজনের মৃত্যু হয় বলে দাবি করেছেন জীবিত উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিরা।

তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, বাকি তিনজনকে চোখ বেঁধে ও গুরুতর আহত অবস্থায় ওই এলাকায় ফেলে রাখা হয়। পরে সকাল ৭টার দিকে পাশের কৃষিজমিতে কাজ করতে যাওয়া কৃষকেরা তাদের দেখতে পান। খবর পেয়ে টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুজনকে জীবিত ও একজনকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করে। পরে দুপুরে বড় লেচুপ্রাণ এলাকা থেকে আরও একজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এ বিষয়ে টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে দুজনকে জীবিত ও দুজনকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহগুলোর সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে মর্গে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় আইনি কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।





কমেন্ট বক্স